বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান কুমিল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, এক রাতেই আটক ৬২৪ ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক সিলেটে বিএডিসির মেগা প্রকল্পে বদলাচ্ছে ১৭ হাজার হেক্টরের কৃষি ও হাওরের অর্থনীতি ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেল পরিচয়, রিকশা বশির এখন বিএনপিতে ট্রাম্পের নৈশভোজসহ প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ থানার পেছনে ছিনতাই ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের পর ওসিকে বদলি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইত্যাদি এবার নকশিকাঁথার জামালপুরে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চতুর্থ রাউন্ডের পরও ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত

চতুর্থ রাউন্ডের পর ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর থেকে ৮৪৮২ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল নেত্রী।

২০২৬ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর। যা এবারের ভোটের ‘নন্দীগ্রাম’ হয়ে উঠেছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই হয়েছিল। জিতেছিলেন শুভেন্দু। এবার ভবানীপুরে দু’জনের সম্মুখসমর।

তবে নন্দীগ্রামের থেকে ভবানীপুর গুণগতভাবে এগিয়ে। তার কারণ, পাঁচ বছর আগের লড়াই ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দুর লড়াই। কিন্তু ভবানীপুরে লড়াই মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী দলনেতার। যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঘটেনি। সেই কারণেই, সারা রাজ্যের সঙ্গে পৃথকভাবে সবার নজর থাকবে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের দিকে। সেখানেই হবে ভবানীপুরের ভোটগণনা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় রাউন্ডের পর ভবানীপুরে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর থেকে ৮৯৮ ভোটে এগিয়ে। ভোটের ব্যবধান বাড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডেও লিড ধরে রাখলেন তিনি।

গত ১৫ মার্চ নির্বাচনি তপশিল ঘোষণার পর ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গে। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। তার পরে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে।

প্রথম দফায় যে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, তার বেশির ভাগ জেলা বিজেপির ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলে পরিচিত। আবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল তৃণমূলের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত দক্ষিণবঙ্গে। ফল নিয়ে দুই শিবিরই ‘আত্মবিশ্বাসী’। দুই শিবিরের তরফেই দাবি এবং পাল্টা দাবি রয়েছে।

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন সংস্থা যে বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল, তার বেশির ভাগেই ইঙ্গিত মিলেছিল রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। পাল্টা তৃণমূল দাবি করেছে, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোটেও বুথফেরত সমীক্ষা মেলেনি। এবারও মিলবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ নাহিন খান
raytahost-tmnews71